থাইল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ ও দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতংতার্ন নির্বাচিত

প্রতিবেদক • ঢাকা

প্রকাশ: Aug. 16, 2024, 3:54 p.m.
থাইল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ ও দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতংতার্ন নির্বাচিত

থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দেশটির আইনপ্রণেতারা ভোটাভুটির মাধ্যমে তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন।

 

পেতংতার্ন, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ধনকুবের থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে। ৩৭ বছর বয়সী পেতংতার্ন থাইল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

পেতংতার্নের নির্বাচনে থাইল্যান্ডের পার্লামেন্টে ৩১৯টি ভোট তার পক্ষে এবং ১৪৫টি ভোট বিপক্ষে পড়ে। উল্লেখ্য, এই নির্বাচনটি দেশটির সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে সাংবিধানিক আদালত বরখাস্ত করার মাত্র দুইদিন পর অনুষ্ঠিত হলো।

 

নির্বাচনের পর পেতংতার্ন বলেন, "আমি থাই জনগণকে আত্মবিশ্বাসী করতে পারব। জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন এবং সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য আমি কাজ করব।" তার প্রাথমিক লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষার মানোন্নয়ন, অর্থনৈতিক সংস্কার, এবং জনগণের জন্য কাজের সুযোগ বাড়ানো।

 

পেতংতার্নের এই নির্বাচনের মাধ্যমে সিনাওয়াত্রা পরিবারের চারজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হলেন। গত দুই দশকে তার বাবা থাকসিন সিনাওয়াত্রা এবং খালা ইংলাক সিনাওয়াত্রাসহ অপর তিনজন প্রধানমন্ত্রী সামরিক অভ্যুত্থান কিংবা সাংবিধানিক আদালতের রায়ে ক্ষমতা হারিয়েছেন। পেতংতার্নের পূর্বসূরীরা যে ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিলেন, সে সম্পর্কেও তিনি সচেতন এবং ক্ষমতায় থাকাকালীন এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার অঙ্গীকার করেছেন।

 

পেতংতার্নের নির্বাচনের মাধ্যমে থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে সিনাওয়াত্রা পরিবারের প্রভাব আরও দৃঢ় হয়েছে। থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনে পেতংতার্নের ক্ষমতায় আসার বিষয়টি বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা দেশটির রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পেতংতার্নের নেতৃত্বে থাইল্যান্ডের সরকার নতুন নতুন নীতি গ্রহণ করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের দিকে ধাবিত হবে।


আরও পড়ুন