২০২৪ সালে নয়, ২০২৫ সালে যোগদানকারীদের জন্য নিশ্চিতকরণ প্রকল্প চালু

প্রতিবেদক • ঢাকা

প্রকাশ: July 15, 2024, 5:25 a.m.
২০২৪ সালে নয়, ২০২৫ সালে যোগদানকারীদের জন্য নিশ্চিতকরণ প্রকল্প চালু

সরকার অবসর গ্রহণের পর কর্মচারীদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থার বিকল্প হিসাবে ট্রাস্ট প্রকল্প চালু করেছে। যাঁরা ২০২৫ সালের জুলাই মাসে স্বায়ত্তশাসিত, স্ব-শাসিত, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থায় যোগদান করবেন, তাঁদের বাধ্যতামূলকভাবে সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার প্রত্যয়ন প্রকল্পে যোগ দিতে হবে।

রোববার (১৪ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। তবে, অর্থ মন্ত্রকের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যোগদানকারী কর্মচারীদের উল্লেখ করে ট্রাস্ট প্রকল্প চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট ২০২৩ এর আওতায় সর্বজনীন পেনশন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন, যার লক্ষ্য জীবনের সকল স্তরের মানুষকে একটি টেকসই পেনশন ব্যবস্থায় নিয়ে আসা। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সহ সমস্ত স্বায়ত্তশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এবং অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা, যারা ২০২৫ সালের ১ জুলাই নতুন কর্মচারী হিসাবে চাকরিতে যোগ দেবেন, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন পেনশন প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, অঙ্গীকার কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ। বাতিলের দাবিতে তাঁরা অর্ধদিবসের ধর্মঘট ও মানববন্ধনের ডাক দিয়েছেন। দেশের ৩৫টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছেন। ফলস্বরূপ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রশাসনিক ও সরকারী কাজকর্ম, সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এবং অন্যান্য কার্যক্রম সহ সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। লাইব্রেরি বন্ধ। ফলে দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সংকটে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এবং তারা প্রতিশোধ নিতে ভয় পায়।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মচারীদের অবসর পরবর্তী জীবনযাপনের মান উন্নত হবে এবং দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে। তবে, শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করবে বলে জানানো হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন স্তরে এ নিয়ে আলোচনা চলছে এবং শীঘ্রই একটি সমাধান আসতে পারে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন